টেকনোলজিহোম

এ ও বি ড্রাইভের রহস্য

কম্পিউটারের ডেটা বা ফাইল-পত্র রাখার জায়গাকে ড্রাইভ বলে। মুলত হার্ডড্রাইভের লজিক্যাল নাম ড্রাইভ। একটি হার্ডড্রেইভে একাধিক লজিক্যাল ড্রাইভ থাকতে পারে। সি, ডি, ই, এফ ইত্যাদি এভাবে জেড পর্যন্ত। বর্তমানে কম্পিউটারগুলোতে আমরা শুরুতেই ‘সি’ ড্রাইভ দেখতে পাই। কখনও সি, ডি, ই, এফ ইত্যাদি দেখি। কিন্তু এ ও বি ড্রাইভ ২টি দেখি না। তবে কি ড্রাইভের নাম সি দিয়েই শুরু? না তা নয়। ড্রাইভের নাম ‘এ’ দিয়েই শুরু। আসুন এর রহস্যটা জেনে নি।।

সি, ডি, ই ইত্যাদি ড্রাইভ তো পেলাম। এ ও বি ড্রাইভ তাহলে কোথায়। না-কি এ, বি কে বাদ দেয়া হয়েছে। তাছাড়া সি দিয়েই বা কেন ড্রাইভের নাম শুরু হলো …। না এ ও বি ড্রাইভকে মোটেই বাদ দেয়া হয় নাই। এ ও বি ড্রাইভ এখনও আছে। তবে এ ও বি প্রযুক্তিগত কারণে এখন আর ব্যবহার হয় না। এই ড্রাইভ ২টি ফ্লপি ড্রাইভের জন্য সংরক্ষতি।

বার বার কম্পিউটার খারাপ হওয়ার কারণ

আরও পড়ুন : হার্ডডিস্কের প্রথম ড্রাইভ সি কেন

৭০-এর দশকে ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহার শুরু হয়। প্রথম ড্রাইভ ‘এ’ এবং দ্বিতীয় ড্রাইভ ‘বি’ নামে পরিচিত ছিল। একটি কম্পিউটারে সর্বোচ্চ ২টি ফ্লপি ড্রাইভ ছিল। কখনও শুধু একটি ফ্লপি ড্রাইভ থাকতো। হার্ড ডিস্ক আসার পর ড্রাইভের নাম সি দিয়ে শুরু হয়।

অনেকেই হয়তো অবাক হবেন। যখন প্রথম আইবিএম পিসি বাজারে আসে। তখন পিসিতে হার্ডডিস্ক ব্যবহার হতো না।  তখন ফ্লপি ড্রাইভগুলি কম্পিউটারের প্রাথমিক স্টোরেজ হিসাবে ব্যবহৃত হত। তখন থেকে ড্রাইভের নাম ইংরেজি ক্যাপিটাল লেটার ব্যবহারের প্রচল হয়। সুতরাং, তখন ফ্লপি ড্রাইভের জন্য ইংরেজি A এবং B লেটার ২টি বরাদ্দ হয়। তখন থেকে ফাইল রেফারেন্স (ফাইলের ঠিকানা) ড্রাইভ লেটার দিয়ে গঠিত হয়। যেমন, A:\MYDOC.TXT বা B:\MYDOC.TXT । ড্রাইভ লেটার সিস্টেমটি পরবর্তীতে মাইক্রোসফটের MS-DOS সহ অপারেটিং সিস্টেম এবং পরবর্তীতে উইন্ডোজেও এই পদ্ধতি ব্যবহার  হয়ে আসছে।

সাধারণত প্রথম ড্রাইভ দিয়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রাম চালানো এবং দ্বিতীয় ড্রাইভ দিয়ে ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার হতো। পরবর্তীতে হার্ডডিস্ক আসার পরও ড্রাইভ দুটি A এবং B ড্রাইভ হিসেবে আজও ফ্লপির স্মৃতি বহন করে আসছে।

সূত্র: ইন্টারনেট ও নিউজ মিডিয়া

Share on Social Media